অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে দেশে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের দুঃশাসনে দেশ নানা দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। এখন সময় এসেছে সেই অচলাবস্থা পেছনে ফেলে একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাষানটেকে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেই জনগণ স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে এবং এলাকার সমস্যা নিয়ে সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে যেতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও স্থানীয় সমস্যার টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করতে হবে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং নিজের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে—সে পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
তারেক রহমান বলেন, শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, একই সঙ্গে পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ সব স্তরে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। এতে করে সর্বত্র জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে। জনপ্রতিনিধিদের জনগণের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে এবং সেগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় জনসভা মঞ্চে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাকে ডেকে ভাষানটেক এলাকার মৌলিক সমস্যার কথা শোনেন তিনি এবং সেগুলোর সমাধানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তাঁর উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্যসচিব মোস্তফা জামানসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।