1. desherchitrabd@gmail.com : Desher DesherChitra : Desher Chitra
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন

তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে রসদ পাঠাতে চীনের ‘তিয়ানঝৌ-১০’ উৎক্ষেপণ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীন সফলভাবে ‘তিয়ানঝৌ-১০’ নামের একটি রোবোটিক কার্গো মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছে। সোমবার সকালে হাইনান প্রদেশের ওয়েনচ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে এ মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এর মাধ্যমে তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, জ্বালানি ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পাঠানো হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে ৫৩ মিটার দীর্ঘ লং মার্চ-৭ রকেটের মাধ্যমে তিয়ানঝৌ-১০ উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণের মধ্যেই মহাকাশযানটি নির্ধারিত নিম্ন-কক্ষপথে পৌঁছে যায় এবং এর সৌর প্যানেল সফলভাবে খুলে যায়।

তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া এটি ২০তম মহাকাশযান এবং নবম কার্গো যান। এতে প্রায় ৬ দশমিক ২ টন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং প্রায় ৭০০ কেজি জ্বালানি বহন করা হচ্ছে।

কার্গোর মধ্যে রয়েছে নতুন স্পেসওয়াক স্যুট, একটি নতুন ট্রেডমিল এবং ছয় সেট বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার যন্ত্র। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে মাইক্রোগ্রাভিটি, তরল পদার্থের আচরণ এবং মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে।

চায়না অ্যাকাডেমি অব স্পেস টেকনোলজির প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, তিয়ানঝৌ-১০ পুরো এক বছর তিয়ানগং স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ফলে এটি চীনের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি কার্গো মিশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে তিয়ানঝৌ-৯ মহাকাশযানটি ২৯৫ দিন তিয়ানগং স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর গত ৬ মে বিচ্ছিন্ন হয়। পরদিন সেটি নিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করে। পুনঃপ্রবেশের সময় মহাকাশযানটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে গেলেও সামান্য কিছু ধ্বংসাবশেষ নির্ধারিত সমুদ্র এলাকায় পড়ে বলে জানিয়েছে চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি।

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2025-2026, সাপ্তাহিক দেশের চিত্র. All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews