দেশজুড়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের মৃত্যু সরাসরি হামে আক্রান্ত হওয়ার কারণে হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮ জনে।
এ ছাড়া গত প্রায় দেড় মাসে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৯ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৪ হাজার ২৬০ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাম সন্দেহে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৮৫ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি, জনসচেতনতার অভাব এবং দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারের কারণেই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।