1. desherchitrabd@gmail.com : Desher DesherChitra : Desher Chitra
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারী নিহত আইএইচএস জেনসের সূচকে ছাত্রশিবিরকে বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক সক্রিয় অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ রয়টার্সকে শেখ হাসিনা: ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানালেন মাদ্রাসাগুলো কি জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র? স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও কেন উগ্রবাদের ফাঁদে পড়ছে Al-Qaeda and ISIS: Misusing Islam, Violence, and the Spread of Extremism A Research-Based Analysis পৃথিবীর দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠনগুলোর কার্যক্রম: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সকল ধর্মের আলোকে জঙ্গিবাদ: ধর্ম নয়, অপব্যাখ্যাই সহিংসতার মূল উৎস জঙ্গিবাদ: রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবতার জন্য এক অভিন্ন হুমকি এখনো সক্রিয় ২০ জঙ্গি সংগঠন, জামিন নিয়ে পলাতক অনেক সদস্য মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদের বিস্তার: গোয়েন্দা জালে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’

নিকাব নিষিদ্ধে পর্তুগাল পার্লামেন্টে বিল পাস

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পর্তুগালের পার্লামেন্টে জনসমক্ষে নিকাব পরা নিষিদ্ধ করার একটি বিতর্কিত বিল পাস হয়েছে। অতি-ডানপন্থি চেগা দলের উত্থাপিত এই বিলের লক্ষ্য—মূলত মুসলিম নারীদের ব্যবহৃত বোরকা ও নিকাব নিয়ন্ত্রণ করা।

শুক্রবার পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, জনসমক্ষে নিকাব পরলে ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি কাউকে নিকাব পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তবে বিমানবন্দর, কূটনৈতিক অঞ্চল এবং উপাসনালয়ের মতো বিশেষ এলাকায় নিকাব পরার সুযোগ থাকবে।

বিলটি এখন সাংবিধানিক বিষয়াবলি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে এটি প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুজার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। প্রেসিডেন্ট চাইলে বিলটিতে ভেটো দিতে পারেন অথবা সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়ে আরও যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন।

বিলটি আইনে পরিণত হলে পর্তুগাল যুক্ত হবে সেই ইউরোপীয় দেশগুলোর তালিকায়—যেখানে জনসমক্ষে মুসলিম নারীদের মুখ ঢেকে রাখা পোশাক নিষিদ্ধ বা আংশিকভাবে সীমিত। বর্তমানে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া এবং নেদারল্যান্ডসে এমন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

পার্লামেন্টে বিল উত্থাপনের সময় বামপন্থি কয়েকজন নারী আইনপ্রণেতা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তবে মধ্য-ডানপন্থি জোটের সমর্থনে বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়।

বিল পাসের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চেগা পার্টির নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা বলেন, “আজ আমরা সংসদের নারী সদস্যদের, আপনাদের কন্যাদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বোরকা চাপিয়ে দেওয়া থেকে রক্ষা করেছি। এটি আমাদের গণতন্ত্র, মূল্যবোধ, পরিচয় ও নারী অধিকার রক্ষার জন্য এক ঐতিহাসিক দিন।”

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2025-2026, সাপ্তাহিক দেশের চিত্র. All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews