1. desherchitrabd@gmail.com : Desher DesherChitra : Desher Chitra
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারী নিহত আইএইচএস জেনসের সূচকে ছাত্রশিবিরকে বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক সক্রিয় অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ রয়টার্সকে শেখ হাসিনা: ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানালেন মাদ্রাসাগুলো কি জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র? স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও কেন উগ্রবাদের ফাঁদে পড়ছে Al-Qaeda and ISIS: Misusing Islam, Violence, and the Spread of Extremism A Research-Based Analysis পৃথিবীর দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠনগুলোর কার্যক্রম: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সকল ধর্মের আলোকে জঙ্গিবাদ: ধর্ম নয়, অপব্যাখ্যাই সহিংসতার মূল উৎস জঙ্গিবাদ: রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবতার জন্য এক অভিন্ন হুমকি এখনো সক্রিয় ২০ জঙ্গি সংগঠন, জামিন নিয়ে পলাতক অনেক সদস্য মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদের বিস্তার: গোয়েন্দা জালে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’

নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারী নিহত

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জামফারা অঙ্গরাজ্যে দুই দিনব্যাপী সেনা অভিযানে ৩০০ জনের বেশি সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। গুম্মি জেলার একটি বড় ডাকাত ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এই অভিযানকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ জুলাই) জামফারা অঙ্গরাজ্যের তথ্য কমিশনার মাহমুদ মুহাম্মদ দান্তাওয়াসা এক বিবৃতিতে বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৩০০ এর বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে প্রায় এক হাজার সশস্ত্র ডাকাত গবাদিপশু লুট করে নিয়ে যাওয়ার পর সেনাবাহিনী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা যৌথ অভিযান শুরু করে। রাতভর এবং পরদিন সকাল পর্যন্ত চলা তীব্র সংঘর্ষে বিপুলসংখ্যক ডাকাত নিহত হয়।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দুই সপ্তাহ আগেও একই ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছিল সেনাবাহিনী। তবে সে সময় ডাকাতদের সংখ্যাধিক্যের কারণে বাহিনীকে পিছু হটতে হয়েছিল।

নাইজেরিয়ার উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র ডাকাত চক্রের গবাদিপশু চুরি, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কৃষকদের কাছ থেকে চাষাবাদের জন্য চাঁদা আদায় এবং ফসল নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সশস্ত্র অপরাধী চক্র ও জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সমন্বয় বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দুর্বল উপস্থিতির সুযোগে তারা বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে।

জামফারা সরকার বলছে, সাম্প্রতিক এই অভিযান আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একটি বড় মাইলফলক। তবে বিশ্লেষকদের মতে, একটি সফল অভিযান সত্ত্বেও দেশটির সামগ্রিক নিরাপত্তা সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বোকো হারাম ও আইএসডব্লিউএপির মতো জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জিহাদিদের কবল থেকে ৪০ জনের বেশি শিশুকে উদ্ধারের আরেকটি অভিযানে তাদেরও কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সংঘটিত এ ঘটনাও নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

দারিদ্র্য, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান তৎপরতার কারণে নাইজেরিয়ায় অপহরণ ও ডাকাতির ঘটনা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক অভিযানে বড় সাফল্যের দাবি করা হলেও দেশটিতে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার পথ এখনও দীর্ঘ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2025-2026, সাপ্তাহিক দেশের চিত্র. All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews