1. desherchitrabd@gmail.com : Desher DesherChitra : Desher Chitra
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত ও অপহরণকারী নিহত আইএইচএস জেনসের সূচকে ছাত্রশিবিরকে বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক সক্রিয় অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ রয়টার্সকে শেখ হাসিনা: ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানালেন মাদ্রাসাগুলো কি জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র? স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও কেন উগ্রবাদের ফাঁদে পড়ছে Al-Qaeda and ISIS: Misusing Islam, Violence, and the Spread of Extremism A Research-Based Analysis পৃথিবীর দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠনগুলোর কার্যক্রম: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সকল ধর্মের আলোকে জঙ্গিবাদ: ধর্ম নয়, অপব্যাখ্যাই সহিংসতার মূল উৎস জঙ্গিবাদ: রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবতার জন্য এক অভিন্ন হুমকি এখনো সক্রিয় ২০ জঙ্গি সংগঠন, জামিন নিয়ে পলাতক অনেক সদস্য মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদের বিস্তার: গোয়েন্দা জালে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’

আইনের শাসন সকলের উপরে: প্রধান উপদেষ্টা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার (১৭ নভেম্বর) বলেছেন, “ক্ষমতা যাই হোক না কেন, কারো অবস্থান আইনের ঊর্ধ্বে নয়।” তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এর রায় দেশের জন্য একটি মৌলিক নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা দেশের সীমানা পেরিয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

ড. ইউনূস এক বিবৃতিতে বলেন, “এই রায় জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষের জন্য এবং যেসব পরিবার এখনো তাদের প্রিয়জনের শোক বয়ে বেড়াচ্ছে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বছরের পর বছর নিপীড়নের দ্বারা ধ্বংস হওয়া গণতান্ত্রিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের মুহূর্তে আমরা দাঁড়িয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “তরুণ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে তাদের অপরাধ ছিল প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের আদেশ, যাদের একমাত্র অস্ত্র ছিল তাদের কণ্ঠস্বর। এসব কাজ বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক মূল্যবোধ, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়ের প্রতি অঙ্গীকারকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।”

প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেছেন, “প্রায় এক হাজার ৪০০ জন মানুষের জীবন নিভে গেছে। তারা কোনো সংখ্যা নয়—তারা ছিল ছাত্র, বাবা-মা, অধিকারপ্রাপ্ত নাগরিক। মাসব্যাপী সাক্ষ্যে উঠে এসেছে কিভাবে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা, এমনকি হেলিকপ্টার থেকেও চালানো হয়েছিল। এই রায় তাদের কষ্টকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নিশ্চিত করেছে যে আমাদের বিচারব্যবস্থা অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনবে।”

ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ এখন জবাবদিহির বৈশ্বিক স্রোতে আবার যোগ দিচ্ছে। শিক্ষার্থী এবং নাগরিকরা যারা পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল, তারা এটি বুঝতে পেরেছিল এবং অনেকে তাদের জীবন দিয়ে মূল্য দিয়েছিল। আমাদের আগামীকালের জন্য তাদের আজকের দিনটি উৎসর্গ করেছে।”

তিনি শেষমেশ বলেন, “সামনের পথের জন্য কেবল আইনি জবাবদিহি নয়, প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকদের মধ্যে আস্থা পুনর্নির্মাণ করা দরকার। মানুষ কেন সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বের জন্য ঝুঁকি নেয়—তা বোঝা এবং সেই বিশ্বাসের যোগ্য সিস্টেম তৈরি করা অপরিহার্য। আজকের রায় সেই যাত্রাপথেরই একটি পদক্ষেপ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো সাহস ও বিনয়ের সঙ্গে মোকাবেলা করবে। আইনের শাসন, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রতিটি মানুষের সম্ভাবনাকে মূল্য দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার শুধু টিকে থাকবে না—এদেশে তা প্রতিষ্ঠিত হবে, বিকশিত হবে এবং টিকে থাকবে।”

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2025-2026, সাপ্তাহিক দেশের চিত্র. All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews