1. desherchitrabd@gmail.com : Desher DesherChitra : Desher Chitra
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে লাইফলাইন হাসপাতালে অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগ পুলিশ কর্মকর্তা আলিম মাহমুদের অবৈধ সম্পদ: তদন্তের দাবি জোরালো ছাত্রদলের কমিটি গঠনে ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ দক্ষিণ সুরমায় সাংবাদিকের বাসায় হামলা: ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাট লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছেন ডা. জুবাইদা খালেদা জিয়া বিদেশে যেতে পারবেন কি না—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের: মির্জা ফখরুল বাংলাদেশে কারও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই,তারেক রহমানের ফেরাকে ঘিরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আশ্বাস জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগদানের ঢল: মির্জা ফখরুল ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ, কাঠগড়ায় সিআইডি কর্মকর্তা এভারকেয়ারে খালেদা জিয়া ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’: বিএনপি নেতা আজম খান

মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

দেশের চিত্র প্রতিবেদন

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী, আর সাবেক পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে গুলি করেন।

মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডে প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। ৩৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় আজ হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা ও হত্যাকাণ্ডের বিবরণ

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে—প্রদীপ কুমার দাশ মৃত্যুর পূর্বে সিনহার ওপর শারীরিকভাবে আঘাত করে এবং লিয়াকত আলী সরকারি পিস্তল দিয়ে চারটি গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করেন। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামিদের স্বীকারোক্তি রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

অপর ছয় আসামির দায়

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন— সাবেক এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, সাগর দেব, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিন। হাইকোর্ট তাদের ষড়যন্ত্র ও সহায়তা প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

মামলার পটভূমি

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর তল্লাশিচৌকে সিনহাকে লিয়াকত আলী গুলিতে হত্যা করেন। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড, অপর ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স, জেল আপিল ও ফৌজদারি রিভিশন আবেদন পেশ করা হয়। হাইকোর্ট সব আপিল খারিজ করে গত ২ জুন রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

পুর্নাঙ্গ রায়ে আদালত নির্ধারণ করেছেন—প্রদীপ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং লিয়াকত পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী গুলি চালিয়েছিলেন। অপর ছয়জনের ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র ও সহায়তা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

Share this Post in Your Social Media

Comments are closed.

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2025, সাপ্তাহিক দেশের চিত্র. All rights reserved.
Weekly Desher Chitra developed by LogoMyface